রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু লেডি কিলার
লেখকঃ- স্টাফ রিপোর্টার সাহিত্য জগত :

ঈদের আগে নরসিংদীর মেয়র লোকমান হোসেন মারা যায়। এ নিয়ে নরসিংদীর অবস্থা
থমথমে বিরাজ করেছিলো। এ নিয়ে মেয়র লোকমান হোসেনের ভাই কামরুজ্জামান,
টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজুর ভাই সালাউদ্দিন সহ ১৪জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
কিন্তু দু:খ জনক ভাবে কেউ গ্রেফতার হয়নি। উল্টো ভাবে গ্রেফতার করা হল
বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির খোকনকে। শাক দিয়ে মাছ ঢাকার কত বড় আয়োজন।
খোকন যখন ছিলো ঢাকায় তখন মেয়র লোকমান হোসেন গুলিবৃদ্ধ হয়। লোকমানের হত্যার
মামলায় খায়রুল কবির খোকনের নাম নাই তারপরও তাকে সরকারের আইনশৃঙ্গলা বাহিনী
গ্রেফতার করে। আসল আসামী দের আইনশৃঙ্গলা বাহিনী গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়।
এই হত্যাকান্ডে নরসিংদীর সবাই দায় করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
রাজিউদ্দির আহমেদ রাজুকে। পাঠক গন আজকে আমার লেখার বিষয় লোকমান হত্যাকান্ড
নয়। আজকে আমার লেখার বিষয় হলো,নারি খেকো ,মদ্যপ,নারি কেলেংকারি করে যে
অভস্ত্য বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীসভার ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুকে নিয়ে।
এবার আসা যাক আমার লেখার বিষয়
বস্তুতে। পাঠকগন আপনাদের মনে আছে নারী কিলার রসু খাঁর ইচ্ছা ছিলো ১০০ নারী
হত্যা করা। তিরি ১১টা নারী হত্যা করেছিলো । তারপরে র্যাবের হাতে ধরা পড়ে
চাদঁপুরের রসু খাঁ। কিন্তু বাংলাদেশে রসু খাঁর মত লোকদের অভাব নেই। রসু খাঁ
নারী হত্যা করেছিলো । একজন চলে যায় আবার আরেকজন জন্ম নেয়। বরাবরের মত এবার
আমাদের চোখের সামনে রসু খাঁ হয়েছে বাংলাদেশের সরকারের মন্ত্রী রাজিউদ্দিন
আহমেদ রাজু। তিনি নারী হত্যা করে না। তিনি বেশ কয়েকজন নারীর ইজ্জত লুটে
নিয়েছে। নরসিংদীর মেয়র লোকমান হোসেন হত্যাকাণ্ডের পর এসব কলঙ্কময় কাহিনী
এখন নরসিংদীবাসীর মুখে মুখে।
এবার আপনাদের বলি মন্ত্রী রাজুর
সম্পর্কে:- রাজিউদ্দিন রাজু নরসিংদী-৫ রায়পুরার নির্বাচিত সংসদ সদস্য।
লোকমান হত্যাকাণ্ড নিয়ে নরসিংদীতে প্রতিবাদের উত্তাল পরিস্থিতি সৃষ্টি
হওয়ায় সরকারের উচ্চমহল থেকেও রাজুর বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়া হয়। এতে
রাষ্ট্রীয় উচ্চক্ষমতার একটি গোয়েন্দা সংস্থা ব্যাপক অনুসন্ধান শেষে মন্ত্রী
রাজুর বিরুদ্ধে মদ, নারীসহ বহুবিধ কেলেঙ্কারির অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর
দফতরে একটি জরুরি প্রতিবেদন পাঠিয়েছে।
এবার আপনাদের মন্ত্রী রাজুর অতীত বর্তমানের আমলনামা বলছি:-
১.২০০০ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকতে মন্ত্রী রাজু বাণিজ্য
মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। সে সময় তিনি
রায়পুরার মরজাল ইউনিয়নের বাসিন্দা ফুটবলার সন্তোষ সাহার সুন্দরী স্ত্রীকে
নিয়ে এক ঘরে একত্রে ছিলেন। এলাকার লোকজন এই ঘটনা টের পেয়ে ওই বাড়ি ঘেরাও
করে। পরে সেখানকার স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সহযোগীতায় এই ঘটনা বেশী দূর
গড়ায়নি।
২. মন্ত্রী রাজিউদ্দিন রাজু নরসিংদীর রাঙামাটি এলাকায়
সিরাজ ফকিরের বাড়ির উল্টোদিকে এক বাড়িতে ফ্লাগ ছাড়া গাড়ি নিয়ে আসেন এবং বেশ
কিছু সময় এখানে অহিবাহিত করেন। পাঠকগন আপনাদের আরো খোলাসা করে বলি, সিরাজ
ফকিরের বাড়ির উল্টো দিকে মণি (২৮) ও সুপ্তি (৩২) নামে দুই বোনের সঙ্গে তার
কয়েক বছর ধরে অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা যায়। একটি শীর্ষ স্থানীয়
বার্তা সংস্থার বরাত দিয়ে জানা যে,মন্ত্রী রাজু সুপ্তির বোন মনিকে তিন
মাসের গর্ভবতী অবস্থায় একটি ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিলেন। যখন ওই ছেলেটি
বুঝতে পারে তার স্ত্রী বিয়ের আগে গর্ভবতী তখন তিনি মণিকে তালাক দেন। মণি
এখন রাঙামাটি এলাকায় তার ছেলে নিয়ে বসবাস করছেন। মন্ত্রী রাজু বর্তমানে
নরসিংদীর বিভিন্ন স্কুল-কলেজের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সুন্দরী ছাত্রী কিংবা
টিচারদের সঙ্গে অন্তরঙ্গতা গড়ে তোলেন এবং তাদের সার্কিট হাউসে
কারণে-অকারণে আমন্ত্রণ জানান বা দেখা করতে বলেন।
৩. নরসিংদীর
ভেলানগরে আজিজ বিল্ডিংয়ের পাশে অবস্থিত বিটিএম ইংলিশ স্কুলের এক অনুষ্ঠান
চলাকালে এক সুন্দরী উপস্থাপিকাকে পছন্দ করে স্টেজের বাইরে ডেকে পাঠান এবং
তার সঙ্গে বেশ কিছু সময় আলাপ করেন। মেয়েটির বয়স আনুমানিক ২৬-২৭, নাম জানা
যায়নি। তাকে তিনি সার্কিট হাউসে দেখা করতে বলেন। সেই মেয়েটি পরে তার ভাইকে
বিষয়টি জানান এবং তিনি আর সার্কিট হাউসে যাননি।
৪.নরসিংদী
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ২০০৯ সালের ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে
তিনি ওই কলেজের রেজিস্ট্রার ইসরাত জাহানের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। তাকে
সার্কিট হাউসে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানালে তিনি তা গ্রহণ করেন। তিনি প্রায়শই
মন্ত্রীর সঙ্গে সার্কিট হাউসে দেখা করেন। জানা যায় তিনি এখন বিভিন্ন
তদ্বিরের কাজ করেন এবং ঢাকায় সংসদ ভবনেও মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে থাকেন।
৫. নরসিংদী গভর্নমেন্ট মহিলা কলেজের শিক্ষিকা তৈয়বাকে কলেজের অনুষ্ঠানে
পছন্দ হলে তাকে সার্কিট হাউসে দেখা করতে বলেন। তৈয়বাও মন্ত্রীর সঙ্গে মাঝে
মাঝে দেখা করেন এবং বিভিন্ন তদ্বিরের কাজ করেন বলে জানা যায়। ২০০৯ সালের
জানুয়ারিতে উপজেলা নির্বাচনের আগের দিন তিনি রায়পুরা এসে নির্বাচনে প্রভাব
বিস্তার করেন। তিনি তার পছন্দের প্রার্থীর জন্য এলাকায় আসেন। রাতে চলে
যাওয়ার সময় তার গাড়িতে একজন সুন্দরী মেয়ে ওঠেন (নাম জানা যায়নি)। তাকে নিয়ে
তিনি অন্য কোথাও সময় কাটান বলেন জানা যায়।
৬. উপজেলা নির্বাচনে
তিনি সার্কিট হাউসে সদর ইউএনও শারমিন জাহানের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা
করলে ইউএনও কোনো রকমে ছুটে বাথরুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে আত্মহত্যার হুমকি
দেন। পরে সার্কিট হাউসের ভেতরেই বিষয়টি ফয়সালা হয় এবং শারমিন জাহান চলে
যান। উল্লেখ্য, ইউএনও হওয়া সত্ত্বেও মন্ত্রীর নির্দেশে তাকে রায়পুরার
বিভিন্ন সফরে মন্ত্রীর সঙ্গী হতে হতো। উল্লেখ্য, শারমিন জাহান ২০০৯ সালের ৩
মে সদর ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন। চল্লিশের কাছাকাছি বয়সী ওই মহিলা
অবিবাহিত।
৭.বর্তমানে নরসিংদীর ভারপ্রাপ্ত এনডিসি হিসেবে কমর্রত
সুন্দরী বিসিএস ক্যাডার মহিলা রেনিসা রডরিক্সের সঙ্গে মন্ত্রীর খুব সখ্য
গড়ে উঠেছে। জানা যায়, সার্কিট হাউসে এনডিসি মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে থাকেন
এবং মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হন। তাকে নিয়েও মুখরোচক আলোচনা শোনা যায়। অর্থাৎ
মন্ত্রী সুন্দরী নারীদের প্রতি দূর্বল। তিনি প্রায়শই তাদের সঙ্গে সখ্য গড়ে
তোলেন এবং সুযোগ বুঝে অনৈতিক সম্পর্ক গড়েন।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজি উদ্দিন রাজুর ৭টি নারী কেলেংকারির ঘটনা উপরের তুলে ধরা হল।
এবার আসা যাক রাজুর অন্য কাজে। নারী কেলেংকারী ছাড়াও রাজিউদ্দিন রাজু, মদ্যপান করেন বলে জানা যায়।
পাঠকগন এখন আপনারা বলেন এই মন্ত্রীকে সরকারের এখনো রাখা উচিত? যেই মন্ত্রী
অন্য মানুষের সুন্দরী স্ত্রী দেখলে সে বাড়িতে যায় অনৈতিক কাজ করার জন্য ।
কিন্তু কেনো যাবে সে ? মানুষের সুন্দরী স্ত্রী থাকলেই কি তার অনৈতিক কাজ
করার জন্য লাগবে? তার কি লজ্জা নাই? তার ঘরে তি স্ত্রী ,মেয়ে সন্তান নাই।
শুধু সুন্দরী স্ত্রী থাকলেই তিনি যায় না। মোট কথা যেখানে সুন্দরী মহিলা
থাকবে সেখানে যেয়ে তাদের সাথে সখ্য গড়ে তুলে অনৈতিক কাজ করে। তার প্রমান
হলো , নরসিংদীর রাঙামাটি এলাকায় সিরাজ ফকিরের বাড়ির উল্টো পাশে দুই বোন মণি
ও সুপ্তির সাথে কয়েক বছর ধরে অনৈতিক কাজ চালিয়ে আসছিলো। এক পর্যায়ে তিনি
মনিকে গর্ভবতি করে ফেলেন। এই ঘটনা লোকেমুখে না প্রকাশ হতেই মণিকে অন্য এক
ছেলের সাথে বিবাহ দেয়। সে ছেলে পরে জানতে পারে তার স্ত্রী বিয়ার আগে
গর্ভবতি। পরে তিনি মণিকে তালাক দেয়। তখন কিন্তু রাজু কিছু করে নাই। কারণ কি
পাঠকগন? আপনাদের কাছে উওর আশা করলাম।
www.shahittajagat.blogspot.com
মন্ত্রী রাজুর হাত থেকে বাদ যায় নাই সরকারি কর্মকর্তা,কলেজের শিক্ষক, এবং
অনুষ্ঠানের উপস্থাপিকা। তিনি উপজেলা নির্বাচনে তিনি সার্কিট হাউসে সদর
ইউএনও শারমিন জাহানের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা চালান। কোনো রকমে ছুটে
বাথরুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে আত্মহত্যার হুমকি দেন। পরে এটা সার্কিট হাউসের
ভিতর সমাধান হয়ে যায়।
নরসিংদী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ২০০৯ সালের ১৫
আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি ওই কলেজের রেজিস্ট্রার ইসরাত
জাহানের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন।
বর্তমানে নরসিংদীর ভারপ্রাপ্ত এনডিসি
হিসেবে কমর্রত সুন্দরী বিসিএস ক্যাডার মহিলা রেনিসা রডরিক্সের সঙ্গে
মন্ত্রীর খুব সখ্য গড়ে উঠেছে। তাদের দোষ কি? তাদের কি সুন্দরী হওয়া কি দোষ?
এখন কথা হল ,একজন মন্ত্রী হয়ে কিভাবে সরকারি কর্মকর্তাদের অনৈতিক কাজ করার
প্রস্তাব দেন। তার কি দ্বায়িত্ব বলতে কিছু নাই? না এটাই কি তার দায়িদ্ব?
পাঠক গন আপনাদের কাছে এটারও দয়া করে উওর আশা করলাম। শেখ হাসিনা আপা,আপনি
নিশ্চয়ই জানেন নরসিংদিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি শক্ত ঘাটি। আর সেই
ঘাটিতে যদি ঘটে এমনই ঘটনা তাহলে মানুষ এর জবাব দেবে সামনে । আর সেই জবাব
হবে ব্যলটের মাধ্যমে। ব্যলটের মাধ্যমে নরসিংদীর মানুষ এসব নারী কিলার দের
উচিত জবাব দেবে। প্রধানমন্ত্রী আরেকটা কথা ,আপনার কছে এই নারী কেলেংকারীর
বিচার আমি চাব না। কারন আপনি বলেছেন, যার বিরুদ্বে মিডিয়া নিউজ করবে তাদের
মামলা করতে। এতে করে আপনি দোষীদের সমর্থন জুগিয়েছেন। তাই আপনার কাছে এই
বিচার চেয়ে লাভ নেই।
আপনি সব সময় বলেন,নারীদের অধিকার। নারীদের
পাশে থাকার কথা আপনি বলেন। তাহলে আপনার কাছে একটা অনুরোধ আপনি আপনার
চরিত্রহীনা মন্ত্রী রাজিউদ্দিন রাজুকে বহিষ্কার করে প্রমান করুন আপনি
নারীদের পাশে আছেন।
প্রধানমন্ত্রী আপনি আরেকটা কথা সব সময় বলে
থাকেন ,তা হলো,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে গনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এখন কথা
হলো, মানুষ আপনাদের বিশ্বাস করে ভোট দিয়েছে। তাদের উন্নয়নের জন্য। মানুষ
তাদের আপনার মন্ত্রীদের উজ্জত লুট করার জন্য আওয়ামী লীগকে ভোট দেয় নাই।
আপনি এই চরিএহীন মন্ত্রী রাজিউদ্দিন রাজুকে বহিষ্কার করে শাস্তি দিন। আর
যদি তা না করেন,তাহলে মানুষ এর জবাব দেবে সামনে নির্বাচনে ব্যলটের মাধ্যমে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন